Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Medinipur: এক ট্রাক্টর বালি মাত্র দেড় হাজার! জেলা প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্তে চাপে খাদান মালিকরা

মেদিনীপুর: জেলাতে বালি খাদান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় নেমে গেল বালির দাম! এক ট্রাক্টর বালি এখন দেড় হাজার! তবে শর্তসাপেক্ষে এবং নির্ধারিত লোকজনের জন্য। প্রতি বিধান সভাতে কারা কম দামে কতখানি বালি পাবেন নজর রাখবেন বিধায়ক! …

 


মেদিনীপুর: জেলাতে বালি খাদান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! এক ধাক্কায় নেমে গেল বালির দাম! এক ট্রাক্টর বালি এখন দেড় হাজার! তবে শর্তসাপেক্ষে এবং নির্ধারিত লোকজনের জন্য। প্রতি বিধান সভাতে কারা কম দামে কতখানি বালি পাবেন নজর রাখবেন বিধায়ক! মেদিনীপুরে জরুরি প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত।

 

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে বালি খাদান গুলিতে চড়া দামে বালি বিক্রি হচ্ছে। পুরনো সরকারের আমলে এই বালি বৈধ চালান দিয়ে বিক্রি করতে গেলেও রাস্তায় একাধিক তোলা দিতে হতো বালি ব্যবসায়ীদের। তারপরেও নেতা দাদা অনেক কিছুই ছিল। স্বাভাবিকভাবেই বালির দাম সঠিক দামের থেকে তিনগুণ বেশি হয়ে গিয়েছিল। এতে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন সরকারের কাছে বরাত পাওয়া হাউস ফর অল বা আবাস যোজনার উপভোক্তারা। সরকারি নির্দিষ্ট পরিমাণ বরাদ্দের বাইরে মোটা টাকায় বালি কেনার ক্ষমতা তাদের ছিল না। বহু জায়গাতে থমকে গিয়েছিল আবাস যোজনা কিংবা হাউস ফর অল এর কাজ। সাধারণ অন্যান্য লোকজনও নির্মাণ ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছিলেন। বালির নিয়ন্ত্রণহীন চড়া দাম নিয়ে তাই ভাবতে বসলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা

 

 নতুন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তথা বিধায়ক এবং জেলা প্রশাসন যৌথ উদ্যোগে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল শনিবার দুপুরে মেদিনীপুর শহরে জেলা শাসকের দপ্তরে। যেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ ছাড়াও, ভূমি রাজস্ব দপ্তরের অতিরিক্ত জেলাশাসক, জেলার আটটি বিধানসভার বিধায়কগণ, বিভিন্ন বৈধ বালী খাদান এর মালিকেরা। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে বৈঠকে সমস্ত কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব না হলেও আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বলা হয়েছে-আবাস যোজনার উপভোক্তারা তাদের বরাত পাওয়া বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে সরকারি  নির্মাণের কাগজ দেখালে তাদের ক্ষেত্রে প্রতি ট্রাক্টর বালির দাম নিতে হবে দেড় হাজার টাকা । এরপর অবশ্য থাকবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার আলাদা খরচ। অন্যান্য স্থানীয় সাধারণ মানুষেরা সেই এক ট্রাক্টর বালি সাড়ে তিন হাজার টাকায় কিনতে পারবেনতবে ট্রাক বা ডাম্পার-এ বালি নিতে গেলে তার কোনো রেট এখনও পর্যন্ত প্রশাসন নির্ধারণ করেনি। ট্রাক্টরে করে সর্বাধিক প্রতিটি বালি খাদান মালিক আবাস যোজনার একজনকে একদিনের তিন ট্রাক্টর কম মূল্যে দেবেন। একজন বালি খাদান মালিক সারাদিনে একটি বিধানসভা এলাকার জন্য সর্বাধিক কুড়িটি ট্রাক্টর কম মূল্য দিতে বাধ্য থাকবেনসে বিষয়ে বিধায়ক নজর রাখবেন। এমন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে অবশ্য বালিখাদান মালিকেরা খুব একটা খুশি এমন নয়। তবে প্রশাসনিক প্রাথমিক সিদ্ধান্তে এটা মানতে হবে। বাকিগুলির ক্ষেত্রে তথা ট্রাক্টর, লরি বা ডাম্পারের ক্ষেত্রেও শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। পুরো বিষয়টি নজরদারি রাখবেন বিধায়কগণ নিজ নিজ বিধানসভা এলাকায়। ওভারলোডিং বালি লরি যাতে কোথাও যাতায়াত না করে সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাস্তার সুরক্ষার স্বার্থে।

 

অর্থাৎ এতদিন ধরে, চড়া বালির দাম নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল তার জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ হলো মাত্র প্রশাসন ও বিধায়ক এবং বালি খাদান মালিকের যৌথ বৈঠকে। পুরোপুরি সমস্ত সমস্যার সমাধান এখনই হচ্ছে না।


#MedinipurNews #WestMidnapore #BreakingNews #BaliKhadan #SandPrice #AwasYojana #PMAY
#MedinipurLive #WestBengalNews #BengalPolitics #SandMafia #DistrictAdministration #ViralNews
#বাংলাখবর #মেদিনীপুর

কোন মন্তব্য নেই