মেদিনীপুর: রাজ্যজুড়ে একের পর এক তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুরনো কেচ্ছা-র ফাইল খুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। বিভিন্ন পুরনো তথ্য সামনে এনে পুলিশে দিয়ে পরপর গ্রেফতার করা হচ্ছে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের।…
মেদিনীপুর: রাজ্যজুড়ে একের পর এক তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে
পুরনো কেচ্ছা-র ফাইল খুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। বিভিন্ন পুরনো তথ্য সামনে এনে পুলিশে দিয়ে পরপর
গ্রেফতার করা হচ্ছে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের। এবার সেই নজর পড়লো মেদিনীপুর পৌর
এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর ওপর। এই ওয়ার্ডের নির্দল হিসেবে জয়ী
কাউন্সিলর ছিলেন অর্পিতা নায়েক। যিনি নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তৃণমূলে যোগদান
করেছিলেন। তার স্বামী প্রাক্তন কাউন্সিলর বিশ্বেশ্বর নায়েক। একটা সময় দুজনেই
একচ্ছত্র ক্ষমতা ভোগ করে এসেছেন বলে দাবি বিজেপির। কাউন্সিলর
অর্পিতা নায়েক নাকি একসময় বিজেপি নেতাকর্মীদের সাথে দুরব্যবহার করেছিলেন।
এলাকায় বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বিলি বন্টনের ক্ষেত্রে উপভোক্তাদের কাছ থেকে নাকি টাকা তুলতেন। অবৈধ পুকুর ভরাটের ক্ষেত্রেও নাকি তিনি
জড়িত। সমস্ত নাগরিকদের জন্য সমান ব্যবহার ছিল না নাকি কাউন্সিলারের। হাউস ফর অল
সহ সরকারি প্রকল্পের বিভিন্ন সুবিধা বিলিতে পক্ষপাতিত্ব করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে
তদন্তের দাবি করে বৃহস্পতিবার দুপুরে মেদিনীপুর পৌরসভার দ্বারস্থ হয়েছিলেন
মেদিনীপুর পৌর এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির নেতাকর্মীরা। পৌর প্রধান সৌমেন
খান এর কাছে অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছিলেন বৃহস্পতিবার দুপুর।অবিলম্বে কঠোর
পদক্ষেপের দাবি করেছিলেন তাঁরা ৷ পৌর প্রধান দশ দিনের মধ্যে তদন্ত করে বিষয়টি
পরিষ্কার করার প্রতিশ্রুতি দেন। তারপরেও রেহাই মেলেনি। এদিন সন্ধ্যার পরেই
কাউন্সিলার এর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বিজেপির নেতাকর্মীরা।
তাদের দাবি অবিলম্বে যে সমস্ত কাটমানি এতোদিন তিনি মানুষের কাছ থেকে নিয়েছিলেন তা
ফেরত দিতে হবে সবার সামনে। সমস্ত কিছুর হিসেব দিতে হবে। যতক্ষণ না দেবেন ততক্ষণ
বাড়ি ঘেরাও থাকবে।
এই দাবি করে বৃহস্পতিবার রাতে কাউন্সিলর এর বাড়ির সামনে টায়ারে আগুন
জ্বালিয়ে রাস্তার ওপর অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। বিষয়টি খবর
যায় পুলিশের কাছে। পুলিশ আশ্বাস দেয় - সবকিছুই তদন্ত করে দেখা হবে। পুলিশের
অনুরোধে রাতে অবস্থান ওঠে বিজেপি কর্মীদের।
কাউন্সিলর অর্পিতা নায়েক অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন-"
উনারা পৌরসভার কাছে অভিযোগ করেছেন। চেয়ারম্যান ১০ দিনের সময় গিয়েছেন। তার
মধ্যেই আবার বাড়ি ঘেরাও বিক্ষোভ। বাড়িতে আমি বাচ্চাদের নিয়ে থাকি। এমন করলে
বসবাস করার সমস্যা হয়ে যাবে। আমি দশ দিনের মধ্যেই উনাদের প্রশ্নের সব জবাব দিয়ে
দেব। অভিযোগ সব ভিত্তিহীন।"
#MedinipurLive#ArpitaNayek#BJPProtest#TMCControversy#CutMoney
#MedinipurNews#WestBengalPolitics#BreakingNews #PoliticalNews
#HouseForAll #BengalNews #CouncillorControversy #BJPvsTMC
#ViralNews #Midnapore

কোন মন্তব্য নেই