কঙ্কাবতী: পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের অন্তর্গত জঙ্গলমহলের কঙ্কাবতী এলাকায় বহু পুরনো পুজো "সীতাবালা"। সীতাবালার পূজো দিয়েই জঙ্গলমহলের কয়েকশ গ্রামের বাসিন্দারা সারা বছরটা শুভ হবে বলে মনে করেন। রবিবার সকাল থ…
কঙ্কাবতী: পশ্চিম মেদিনীপুরের
মেদিনীপুর সদর ব্লকের অন্তর্গত জঙ্গলমহলের কঙ্কাবতী এলাকায় বহু পুরনো পুজো
"সীতাবালা"। সীতাবালার পূজো দিয়েই জঙ্গলমহলের কয়েকশ গ্রামের
বাসিন্দারা সারা বছরটা শুভ হবে বলে মনে করেন। রবিবার সকাল থেকেই সেই পুজো ও মেলা
উৎসব হয়ে গেল কঙ্কাবতীতে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি
মেদিনীপুর সদর ব্লক, গড়বেতা ও ঝাড়গ্রামের একটা অংশের বহু
গ্রামের বাসিন্দারা রবিবার সকাল থেকেই মাঠ পার করে মাঠের মাঝে থাকা একটি পুকুর
পাড়ে এই সীতাবালার পুজো দিতে হাজির হয়েছিলেন। স্থানীয়
বাসিন্দাদের দাবি,প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো এই পুজো। মাঠের
মাঝে থাকা একটি পুকুর পাড়ে হাতি ও ঘোড়ার মূর্তিতে পুজোর সামগ্রী নিবেদন করে পুজো
দেন জঙ্গলমহলের লোকজন। নানা রকম নৈবদ্য রান্না করা, পাঁঠাবলি
সবটাই হয়। গ্রামবাসীদের দাবি এখানে পুজো দিয়ে সারা বছরটা সুন্দর ও মসৃণ ভাবে কাটাতে চান বাসিন্দারা। প্রবীণ শংকর ঘোষ বলেন-" পৌষ সংক্রান্তির
এই দিনটাতে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার লোকজন নিজেদের পুরনো বিশ্বাসে ভর করে পুজো দিতে
হাজির হন। দেবী সকলের মনের আশা পূর্ণ করেন। এই উপলক্ষে
সারাদিন কয়েক লক্ষাধিক মানুষের ভিড় হয়"।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বাবাই মাঝি
বলেন-" পৌষ সংক্রান্তির এই দিনটাতে পুজো দিতে এসে মানুষের যে ভিড় তৈরি হয়, তা একটি বড় মেলার আকার ধারণ করে। জঙ্গলমহলের বড় অংশের মানুষের কাছে এটাই
একটা উৎসব।"
রাস্তা হীন মাঠের মধ্যে থাকা
পুকুরপাড়ের এই স্থানটিতেও আসতে দ্বিধাবোধ করেন না লক্ষ লক্ষ মানুষ। রবিবার সকাল
থেকেই এই ভিড়ের মাঝে বড় মেলা হল রীতিমতো। গ্রাম্য এই মেলা গত দুবছরে
সেভাবে করোনার কারণে রূপ পায়নি। এবার পূর্ণদমে জমে গিয়েছে সীতাবালার পুজো উৎসব।

কোন মন্তব্য নেই