কেশিয়াড়ি: মিড ডে মিলে পিঠের স্বাদ পেল স্কুল পড়ুয়ারা। মকর সংক্রান্তির আগের দিন শুক্রবার কেশিয়াড়ির তিলাবনী প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের পাতে পড়ল পৌষের পিঠে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা চালের গুঁ…
কেশিয়াড়ি: মিড ডে মিলে পিঠের
স্বাদ পেল স্কুল পড়ুয়ারা। মকর সংক্রান্তির আগের দিন শুক্রবার কেশিয়াড়ির তিলাবনী
প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের পাতে পড়ল পৌষের পিঠে। চতুর্থ শ্রেণি
থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা চালের গুঁড়ো গুলে মণ্ড তৈরি করে স্কুলের
বারান্দায় আনন্দে একসাথে বসে বানাল পুর পিঠে। কেশিয়াড়ি তিলাবনি প্রাথমিক ও উচ্চ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষকদের সাহায্য নিয়েই নিজেদের অপটু হাতে পিঠে
বানিয়ে মিড ডে মিলে পরিবেশন করা হল। উপরি পাওনা ছিল গুড়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানালেন
বিগত পাঁচবছর ধরে পড়ুয়াদের পৌষের পিঠের আমেজ দিতে এবং লোক সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে
ধরতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মিড ডে মিলে পিঠে পেয়ে খুশি
পড়ুয়ারা। বন্ধুদের সঙ্গে একসাথে খেতে বসে আনন্দে আপ্লুত হয় ছাত্রছাত্রীরা।
কেশিয়াড়ি এলাকা বিশেষত আদিবাসী অধ্যুষিত। কয়েকদিন আগে থেকেই সোমবার স্কুলে পিঠে
হবে জানতে পেরে উপস্থিতির হারও বেশি ছিল স্কুলে। সবার বাড়িতে পিঠে হয় না তেমন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন শেঠ বলেন “অনেকের বাড়িতে পিঠে হয় না। lতাই সবাই সবাইকে সামিল করা হয়েছে ৷ আবার একসঙ্গে মিলে পিঠে বানানো ও খাওয়ার স্বাদ পেল ছাত্রছাত্রীরা।"
একদিন পিঠের স্বাদ দিতে স্কুল
কর্তৃপক্ষ আতপ ও সেদ্ধ চাল কিনে গুঁড়ো করে আনে। স্কুল খুলতেই শুরু হয়ে যায় পিঠে
তৈরির কাজ। স্কুলের মিড ডে মিলের রান্না ঘরেই পিঠে তৈরির যাবতীয় সরঞ্জাম ও পদ্ধতি
মেনে শিক্ষকদের সহায়তায় সারিবদ্ধভাবে বসে পিঠে তৈরি করে তারা। হাত ধরে পুর পিঠে
তৈরি শিখিয়ে দেন শিক্ষকেরা। ছোট ভাইদের পিঠে খাওয়াতে পেরে খুশি দিদি ও দাদারা।

কোন মন্তব্য নেই