Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

PMAY agitation:আবাস যোজনার তালিকা খতিয়ে দেখতে বেরিয়ে খড়্গপুরে বিক্ষোভের মুখে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

খড়গপুর: আবাস যোজনার তালিকায় গরমিল খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরে হাজির হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুজন সদস্য। বুধবার জেলা শাসকের দপ্তরের প্রশাসনিক বৈঠক সেরে খড়্গপুরের জনার্দনপুর এলাকায় গিয়েছিলেন গ্রামবাস…

 

খড়গপুর: আবাস যোজনার তালিকায় গরমিল খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরে হাজির হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুজন সদস্য। বুধবার জেলা শাসকের দপ্তরের প্রশাসনিক বৈঠক সেরে খড়্গপুরের জনার্দনপুর এলাকায় গিয়েছিলেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে। সেখানে একদল গ্রামবাসী তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। ১০০ দিনের প্রকল্পের বকেয়া টাকার দাবি করে বিক্ষোভ দেখায় তারা। পরিস্থিতি সামল দেয় পুলিশ।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকাতে গড়মিল রয়েছে-এমন অভিযোগ পেয়ে রাজ্যের অন্যান্য স্থানের মত পশ্চিম মেদিনীপুরে ও কেন্দ্রের দুই প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে জেলাতে পৌঁছেই বিজেপির জেলা নেতাদের সঙ্গে এক প্রস্ত বৈঠক করেছেন তারা। দুর্নীতির তালিকা বিজেপি নেতারা কেন্দ্রীয় দলের হাতে দিয়েছেন। সেইমতো বুধবার সকালে জেলাশাসকের দপ্তরে জেলাশাসক আয়েশা রানী সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা।

 বৈঠকের পর খড়গপুর গ্রামীন এলাকার লছমাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে হাজির হয়েছিলেন। বিজেপির কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ অনুসারে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে যান জনার্দনপুর এলাকাতে। তালিকাতে নাম নেই এমন গরীবদের বাড়ি ঘুরে দেখেন। কথা বলেন তাদের সঙ্গে। ছবিও তুলে নেন তারা। ওই সময় সেখানে একদল লোক হাজির হয়। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে উদ্দেশ্য করে বিক্ষোভ স্লোগান শুরু করে। "কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা কেন আটকে রেখেছে, জবাব চাই জবাব দাও।" স্লোগান দেওয়া শুরু করে।

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হলে খড়গপুর গ্রামীণ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে সূর্যকান্ত ঘড়া বলেন-" একশ দিনের প্রকল্পের বহু টাকা আমরা পাব। কেন্দ্র সরকার দেয়নি বলে আমরা পাচ্ছি না। কেন্দ্রের এই প্রতিনিধিরা আমাদেরকে জবাব দিন এই টাকা আমরা কবে পাবো। কাজও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।"

ঘটনাস্থলে উপস্থিত লছমাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নান্টু দোলোই বলেন-" আমার অফিসে এসে সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তালিকা খতিয়ে রেখেছেন উনারা। আমরা জানিয়েছি ১৭ দফা জটিল নিয়মের কারণে বহু উপভোক্তা গরিব হলেও বাড়ি পাচ্ছেন না। কেন্দ্রীয় জটিলতার কারণে তিন কোটি টাকার কাজ হওয়ার পরেও টাকা পাচ্ছিনা। বিষয়গুলি জানিয়েছি আমরা।"




কোন মন্তব্য নেই