Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Elephant : দিনের আলোতে জঙ্গল ছেড়ে প্রকাশ্য রাস্তায়,৫ কিলোমিটার হট্টগোলের তাড়া দাঁতালকে,তটস্থ বনদপ্তর

চাঁদড়া: সকাল আটটা নাগাদ প্রকাশ্যে ফসলহীন মাঠেতে একক দাঁতাল হাতির প্রবেশ। দেখতে পেয়েই দল বিচ্ছিন্ন বিশাল দাঁতালকে তাড়া করে মজা নেওয়ার উৎসব স্থানীয়দের। প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা তার পেছনে চিৎকার চেঁচামেচি হট্টগোল চলল। চলল বিভি…

 

চাঁদড়া: সকাল আটটা নাগাদ প্রকাশ্যে ফসলহীন মাঠেতে একক দাঁতাল হাতির প্রবেশ। দেখতে পেয়েই দল বিচ্ছিন্ন বিশাল দাঁতালকে তাড়া করে মজা নেওয়ার উৎসব স্থানীয়দের। প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা তার পেছনে চিৎকার চেঁচামেচি হট্টগোল চলল। চলল বিভিন্ন পোজে সেলফি তোলা। সবকিছু সহ্য করে নীরবে মেদিনীপুর সদরের শুকনাখালির জঙ্গলে ঢুকে পড়ল দল বিচ্ছিন্ন দাঁতাল হাতিটি। পুরো রাস্তায় দুর্ঘটনা এড়াতে তটস্থ ছিল বনদপ্তরের কর্মীরা। কান্ডটি মেদিনীপুর সদর ব্লকের চাঁদড়া এলাকায় দেখা গিয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। বনদপ্তরের কর্মীরা জানায়-" সম্প্রতি গোয়ালতোড় সহ বেশ কয়েকটি এলাকাতে এভাবে হাতিকে তাড়াতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন।তবু উল্লাস কমেনি হাতিকে খোঁচানোর।"

বৃহস্পতিবার সকালে কলাইকুন্ডা রেঞ্জ এলাকার জঙ্গল থেকে বিশাল একটি দাঁতালহাতি দল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কোন কারনে। এরপরে ওই এলাকা থেকে কংসাবতী নদী পার হয়ে সকালে মেদিনীপুর সদর অভিমুখে রওনা দেয় সে। দিনের আলোতে সকাল আটটা নাগাদ ফাঁকা মাঠে বিশাল দাঁতাল হাতি ধিরগতিতে আসছে দেখে গ্রামবাসীরা প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে শুরু হয় তাকে ঘিরে উল্লাস। হাতির পেছনে কয়েকশো মানুষ বিভিন্ন রকম চেঁচামেচি ও আওয়াজ শুরু করে। তার ছবি মোবাইলে তোলা ও সেলফি তোলা সবরকম শুরু হয়। বিশাল এই ভিড়ের চেঁচামেচি ও আওয়াজে খানিকটা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ওই দাঁতাল। নিজের গতি বাড়িয়ে এগোতে শুরু করে জঙ্গল অভিমুখে। খবর পেয়ে হাজির হয়েছিল বনদপ্তরের কর্মীরাও। বারবার এই ভিড়কে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিলেও কোনরকম ভ্রুক্ষেপ ছিল না। 

মেদিনীপুর সদরের চাঁদড়া রেঞ্জ এলাকার পলাশিয়া হয়ে শুকনাখালির জঙ্গলের দিকে এগোয় হাতিটি। তবে কোথাও কারো কোনো ক্ষতি করেনি। বন কর্মীরা জানান-" সম্প্রতি গোয়ালতোড় ও বেশ কয়েকটি এলাকাতে এভাবেই হাতিকে উত্তপ্ত করতে গিয়ে পাল্টা হাতির হামলাতে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকজন। সেজন্য বারবার হাতিকে উত্তপ্ত না করার জন্য সতর্ক করা হয় গ্রামবাসীদের। কিন্তু কেউই সে বিষয়ে সচেতন নন। একই ঘটনা বারবার ঘটায় প্রাণহানির আশঙ্কা আরো বাড়ে।" বনদপ্তরের পক্ষ থেকে হাতিটি কেন দল বিচ্ছিন্ন হয়ে এল তা খতিয়ে দেখছে। সেই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে স্থানীয়দের। 



কোন মন্তব্য নেই