চন্দ্রকোনা: মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে ঠাকুমাকে কষিয়ে থাপ্পড়। সেই মারেই মৃত্যু হল বৃদ্ধা ঠাকুমার। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানার ক্ষীরপাই পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বামুনপুকুর এলাকায়।জা…
চন্দ্রকোনা: মদ্যপ অবস্থায়
বাড়িতে ফিরে ঠাকুমাকে কষিয়ে থাপ্পড়। সেই মারেই মৃত্যু হল বৃদ্ধা
ঠাকুমার। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা
থানার ক্ষীরপাই পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বামুনপুকুর এলাকায়।জানাযায়,মৃত ঠাকুমার নাম মালতী দাস(৭৩) আর গুনধর নাতির নাম রিন্টু দাস(৩০)।স্থানীয়রা
জানান- বৃদ্ধাতে তাঁর চার ছেলের পরিবারের কেউই দেখতেন না ৷ নিজেই
কেটে জীবন চালাতো৷ তারপরও অত্যাচার চলতো ছেলে-বৌমা নাতিদের ৷সেই মদ্যপ নাতির মারেই
মারা গেলেন বৃদ্ধা ৷ স্থানীয়রাই পুলিশকে জানালে গ্রেফতার করা হয়ে মদ্যপ নাতিকে ৷
জানা গিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার চার ছেলে ভরা সংসার। কিন্তু ছেলেরা কেউই দেখতো না বৃদ্ধা
মাকে। উল্টে প্রতিনিয়ত মারধর করতো বলে দাবি স্থানীয়দের।তাই বৃদ্ধা একাই একটি
চালাঘরে বসবাস করতো ৷ এমনকি নিজে কাজ করে পেট চালাতেন।মৃত মালতি দাসের ছেলে ও
নাতিরা প্রায় অত্যাচার চালাতো বলে অভিযোগ। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ বৃদ্ধার বড়
ছেলের ছেলে তথা অভিযুক্ত নাতি রিন্টু দাস চড়াও হয় তার ঠাকুমা মালতী দাসের উপর ৷
মদ্যপ অবস্থায় বেধড়ক মারধর করা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের ৷ মদ্যপ অবস্থায় থাপ্পড়
মারতেই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা ৷ জানজানি হতেই পাড়া-প্রতিবেশীরা
ক্ষোভে ফেটে পড়েন।অভিযুক্ত গুণধর নাতিকে পুলিশে খবর দিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া
হয়।
ঘটনায় অবশ্য গুণধর নাতি ক্যামেরার
সামনে স্বীকার করে নেয়৷ সে জানায়- মদ্যপ অবস্থায় রাগের মাথায় ঠাকুমাকে চড় মেরে
ফেলাতে এরকম ঘটনা ঘটবে বলে বুঝতে পারেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান-অভিযুক্ত যুবক
মদ্যপ অবস্থায় পাড়ার লোকজনকেও অতিষ্ঠ করে তোলে। প্রতিদিনই মদ খেয়ে এসে গালাগালি
মারপিট চলতো তার।পাড়ার লোকজনও অতিষ্ট তার কারনে ৷


কোন মন্তব্য নেই