কেশপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে আবাস প্লাস এর তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তালিকা আবেদন ধরে আবেদনকারীদের যাচাই করতে গ্রামে গেলেন খোদ জেলাশাসক নিজে। গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি দেখে অবাক জেলাশাসক। অনেকেই ঝাঁ চকচকে পাকা বাড়ি…
কেশপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে
আবাস প্লাস এর তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তালিকা আবেদন ধরে
আবেদনকারীদের যাচাই করতে গ্রামে গেলেন খোদ জেলাশাসক নিজে। গ্রামে
গিয়ে পরিস্থিতি দেখে অবাক জেলাশাসক। অনেকেই ঝাঁ চকচকে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও
আরো একটি পেতে আবেদন করেছেন। পরিস্থিতি দেখে স্পটেই বিডিওকে
নির্দেশ দিয়েছেন আবেদন বাতিলের। চিত্রটা পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর এলাকার।
কেশপুর এলাকাতে এই প্রকল্পের
বাড়ি বিলির ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েছিলেন জেলাশাসক। তাই আবেদনপত্র গুলি খতিয়ে দেখতে নিজে কেশপুরের বেশ কিছু গ্রামে
গিয়েছিলেন জেলাশাসক আয়েশা রানী। কেশপুরের ছুতারগেড়িয়া, কলাগ্রাম,
অমলদা, আমড়াকুচি, ঝাটিয়াড়া
সহ বেশ কয়েকটা গ্রামে যান বৃহস্পতিবার। সঙ্গে থানার পুলিশ আধিকারিকসহ কেশপুর
ব্লকের বিডিও।
কয়েকটি গ্রামে ঢুকে একই রকম
বেনিয়মের অভিযোগ দেখতে পান। এই প্রকল্পের নিয়মে প্রথমেই বলা
রয়েছে 'পাকা বাড়ি থাকলে, কিংবা অন্য
কোন প্রকল্পে বাড়ি পেয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আর আবাস যোজনায় বাড়ি পেতে
পারেন না।' কিন্তু পাওয়ার লোভ কম নেই কারোরই। জেলাশাসক এদিন
পরিদর্শন কালে দেখতে পান আবেদনকারিদের অনেকেরই বড় বড় পাকা
বাড়ি রয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিশেষ সূত্রে পাওয়া নালিশ খতিয়ে দেখেন জেলাশাসক।
নালিশ মতোই অনেকেরই অবস্থা সম্পন্ন, পাকা বাড়ি ছাড়াও অনেক
জমির মালিক, পাওয়ার টিলার,ট্রাক্টর এর
মালিক ও অবস্থা সম্পন্ন যারা বাড়ি পেতে আবেদন করেছেন। ওই গ্রামগুলিতে স্পট থেকেই
বিডিওকে নির্দেশ দেন তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে।
জেলাশাসক বলেন- "কেশপুরে
কয়েকটি এলাকায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। আবাস প্লাসের তালিকা ধরে যাচাই করা
হয়েছে।যাচাইপর্ব নিখুঁত করার জন্য বলা হয়েছে ব্লক গুলিকে ।"
কেশপুর ব্লকে আবাস প্লাসের তালিকায় নাম রয়েছে ৪০৪৮২ জনের। এদের মধ্যে অনেকেরই গরমিল
রয়েছে বলে মনে করছে আধিকারিকরা।

কোন মন্তব্য নেই