Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Medinipur Live:'পুষ্পা' সিনেমার কায়দায় নদীপথে কাঠ পাচারের চেষ্টা, পুলিশ বনদপ্তরের অতর্কিত হানায় মেদিনীপুরে নদীর পাড়ে আটক লরি ভর্তি শালকাঠ

মেদিনীপুর: মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ কংসাবতী নদীর একটি ঘাটে শাল কাঠ ভর্তি একটি বড় লরি হাজির হয়। কিছুক্ষণ পরেই অন্ধকারের মধ্যেই নদীর উল্টো প্রান্ত থেকে একটি মেশিন বোট হাজির হয়ে যায়।লরিতে থাকা লোকজন দ্রুত লরি থেকে কাঠ নামিয়ে ওই ব…

মেদিনীপুর: মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ কংসাবতী নদীর একটি ঘাটে শাল কাঠ ভর্তি একটি বড় লরি হাজির হয়। কিছুক্ষণ পরেই অন্ধকারের মধ্যেই নদীর উল্টো প্রান্ত থেকে একটি মেশিন বোট হাজির হয়ে যায়।লরিতে থাকা লোকজন দ্রুত লরি থেকে কাঠ নামিয়ে ওই বোটে লোড করতে শুরু করে। অন্ধকারে এই কাঠ স্থানান্তরের চেষ্টাতে গড়বড় বুঝতে পারেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন। খবর যায় বনদপ্তরে। বনদপ্তর এসে ঘিরে ফেলতেই ফেরার বোট। কাঠ বিক্রেতা লোকজন বনদপ্তর এর কাছে সুর চড়াতে শুরু করে। ছুটে আসে পুলিশও। বনকর্তারা কাগজপত্রে অসংগতি দেখতে পেয়ে কাঠ ও লরি আটক করে নিয়ে যায়। পুরো "পুষ্পা" সিনেমার কায়দাতে নদীপথে কাঠ নিয়ে যাওয়ার এই চিত্রটি ধরা পড়েছে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ডিএভি ঘাটে। বনদপ্তর জানায়- "আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর অন্ধকারের মধ্যেই মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ডিএভি কংসাবতী নদীর ঘাটে কাঠ ভর্তি একটি লরি এসে দাঁড়িয়েছিল। লরিটি রাঙ্গামাটির কোন একটি স্থান থেকে কাঠগুলি নিয়ে নদীর অপরপ্রান্তে পাঠানোর চেষ্টা করছিল। রাঙ্গামাটি এলাকার স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাঠ সেগুলি। সন্ধ্যের অন্ধকারে লরি থেকে শাল কাঠের বিভিন্ন অংশ নামিয়ে নদীপথে একটি বোটের মাধ্যমে অপরপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে হাজির হয় বনদপ্তরের আধিকারিকরা। ছিলেন গোপগড় বিটের অফিসার শীতল ভুঁইয়া, বনদপ্তর এর পক্ষ থেকে বিট অফিসার মলয় নন্দী ও অন্যান্যরা। বনদপ্তরকে আসতে দেখেই নদীপথের বোট ফেরার। কাঠগুলি আটকে রেখে পরীক্ষা করতে গেলে কাঠ পাঠাতে আসা এক ব্যবসায়ী ও তার সঙ্গীরা বনদপ্তরের সঙ্গে তর্ক শুরু করে দেয়। বনদপ্তরের কাছে খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ।

বনদপ্তরের কর্তারা ওই কাঠ বিক্রির সময় নিয়ে প্রশ্ন করলে সঠিক উত্তর পায়নি। কয়েক মাস আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছিলেন রাতের অন্ধকারে কোথাও কাঠ নিয়ে যাতায়াত করা যাবে না। তাই অন্ধকারে এবং নদীপথে কেন কাঠ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি লরির সঙ্গে থাকা লোকজন। সেই সঙ্গে লরির নিজস্ব কোন বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে দাবি বনদপ্তরের। দেখা যায় ওই কার্ডগুলি নিয়ে যাওয়ার জন্য যে লরিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, কাগজপত্র অনুযায়ী ওই লরিটি নয়। এমন একাধিক অসঙ্গতি পাওয়ার পর বনদপ্তর লরি ও কাঠ আটক করতে গেলে লরির সঙ্গে থাকা ব্যবসায়ী ও তার লোকজন তর্ক-বচসা শুরু করে দেয়। তবে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেই কাঠ ও লরি আটক করে নিয়ে আসে বনদপ্তর। এই বিষয়ে ওই ব্যবসায়ী থেকে বনদপ্তর সংবাদমাধ্যমের সামনে কোন মন্তব্য করতে চায়নি। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও বনদপ্তর।

কোন মন্তব্য নেই