Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Elephant arrest:ঝাড়গ্রামকে নিরাপদ করতে খুনে হাতিদের ট্রাঙ্কুলাইজ, সারাদিন চেষ্টা করে সন্ধ্যায় শিকার এক,বনাধিকারিকদের সঙ্গী "কুনকি'

ঝাড়গ্রাম:- চলতি বছরে হাতির তাণ্ডব অনেক বেশি দেখা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে। চলতি বছরে কুড়ি জনের বেশি মানুষকে খুন করে ফেলেছে হাতিতে। একাধিক চেষ্টা সত্ত্বেও ১০০ টির বেশি হাতি তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে জেলার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত।…

ঝাড়গ্রাম:- চলতি বছরে হাতির তাণ্ডব অনেক বেশি দেখা গিয়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে। চলতি বছরে কুড়ি জনের বেশি মানুষকে খুন করে ফেলেছে হাতিতে। একাধিক চেষ্টা সত্ত্বেও ১০০ টির বেশি হাতি তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে জেলার এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত। তাই মানুষের নিরাপত্তায় খুনে হাতিদের চিহ্নিত করে সরাতে ট্রাঙ্কুলাইজ শুরু বনদপ্তরের। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চেষ্টা করে সন্ধ্যায় সফলভাবে ঘুমপাড়ানি গুলিতে বিদ্ধ করল একটি খুনিকে। প্রক্রিয়া চলাকালীন বনকর্মীদের রক্ষি ছিল দুই কুনকি হাতি ৷

চলতি বছরে কুড়িজনের বেশি মানুষ খুন হয়েছেন হাতির হামলায় ঝাড়গ্রাম জেলাতেই। কয়েক মাসে প্রায় সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। হাতিগুলি ক্রমশই উগ্র হয়ে পড়ছে বলে বনদপ্তরের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে সম্প্রতি। হাতিগুলোকে তাড়িয়ে অন্যত্র সরানোর সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ। অবশেষে-বনদপ্তরের ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আধিকারিকদের সম্মিলিত বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে খুনি হাতিদের চিহ্নিত করে সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই লক্ষ্য সফল করতে বনদপ্তরের একাধিক উদ্যোগ ছাড়াও ব্যবহার করা হচ্ছে দুটি কুনকি হাতি। যা উত্তরবঙ্গ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে দুদিন আগে।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার একাধিক বনাধিকারিক হাজির হয়েছিলেন ঝাড়গ্রামের জোয়ালডাঙ্গা নামে একটি জঙ্গলে। যেখানে একটি হাতির পালে খুনি স্বভাবের কয়েকটি হাতি রয়েছে বলে বনদফতর জানতে পারে। ওই চিহ্নিত করা খুনি হাতিকে বাগে আনতে দুটি কুনকি হাতি সঙ্গে নিয়ে বনাধিকারিকরা খুনি হাতিকে লক্ষ্য করে ঘুমপাড়ানি গুলি করেন বেশ কয়েকবার। তবে প্রথমটা খুব একটা সফল হননি। বিকেল নাগাদ বনদপ্তর বুঝতে পারে একটি খুনি হাতি ঘুম পাড়ানি গুলিতে কাবু হয়েছে। এরপরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয় ঝাড়গ্রামের শুসনিগেড়িয়া এলাকাতে। তাকে লরিতে তোলার কাজ শুরু হয় ৷ সেই সময় যাতে  অন্য হাতিরা বনকর্মীদের আক্রমন না করতে পারে তার জন্য প্রহরাতে ছিল বনদফতরের প্রশিক্ষিত কুনকি হাতি গুলি ৷ 

বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় এমন চারটি খুনি হাতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা বিভিন্ন লোকালয়ে গিয়ে খুনগুলি করছে। সেইগুলিকে ট্রাঙ্কুলাইজ করে সরানো হবে অন্যত্র। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর কাবু হওয়া হাতিটিকে সরানোর প্রক্রিয়াতে যাতে পাশাপাশি থাকা অন্য হাতিরা হামলা না করতে পারে সেজন্য কুনকি হাতিদের রাখা হয়েছিল। এই পদ্ধতি অবলম্বন করে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে আরো কয়েকদিন বনদপ্তরের অভিযান চালানো হবে বলেও জানিয়েছেন একদল আধিকারিক।

কোন মন্তব্য নেই