খড়গপুর: খড়্গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধের পাশাপাশি নতুন করে শালবনীতে অবরোধের চেষ্টা কুড়মিদের। শুক্রবার শালবনী স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে অবরোধ শুরু করলে রেল পুলিশ গিয়ে তাদের হঠিয়ে দেয়। তবে খেমাশুলিতে অবরোধ আ…
খড়গপুর: খড়্গপুর গ্রামীণের খেমাশুলিতে রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধের পাশাপাশি নতুন করে শালবনীতে অবরোধের চেষ্টা কুড়মিদের। শুক্রবার শালবনী স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনে অবরোধ শুরু করলে রেল পুলিশ গিয়ে তাদের হঠিয়ে দেয়। তবে খেমাশুলিতে অবরোধ আন্দোলন পড়ল চারদিনে। তাতে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন আটকে থাকা দূরপাল্লার লরি চালক ও খালাসিরা। এক লরি চালক বলেন, "চারদিন ধরে আটকে আছি। না পাচ্ছি খাবার, না পাচ্ছি পানীয় জল। চার কিলোমিটার দূরে গ্রাম থেকে জল ও চাল, ডাল এনে রান্না করে খেতে হচ্ছে। টাকা পয়সাও ফুরিয়ে গেছে। রাতে ঘুমও হচ্ছে না। পুলিশ গাড়ি ঘুরিয়ে অন্য পথে নিয়ে যেতেও দিচ্ছে না।" ভোগান্তির শিকার ট্রেন যাত্রীরাও। বহু ট্রেন বাতিল। রেল সূত্রে দাবি, কুড়ি কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।
কুড়মি জাতিকে তফসিলি উপজাতির তালিকাভুক্ত, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে স্বীকৃতি ও সারনা ধর্মের সরকারি কোড চালু করা এই তিন দফা দাবিতে চলা কুড়মিদের অবরোধ আন্দোলন কবে ওঠবে তা অনিশ্চিত। প্রশাসন বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চালালেও কোনো সমাধান সূত্র বের হয় নি সন্ধ্যা পর্যন্ত। প্রতিদিন দশ হাজার কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষজন জমায়েতে অংশ নিচ্ছেন ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বাঁকুড়া জেলা থেকে। রাতদিন একইরকম ভাবে চলছে আন্দোলন। রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আন্দোলনরত কুড়মি মানুষজনদের খাবারের জন্য রসদ সংগ্রহও চলছে বিভিন্ন এলাকায়।

কোন মন্তব্য নেই