মেদিনীপুর: আড়াই বছর প্রশাসকের পক্ষ থেকে মেদিনীপুর পুরসভা পরিচালনার পর প্রায় এক বছর ধরে পৌর বোর্ড গঠন করা হয়েছে। নতুন পৌর বোর্ড এর কাছে এই প্রথম শারদীয়া। তাই শহরকে নতুন করে আলো দিয়ে সাজানোর উদ্যোগ। সেই উদ্দেশ্যে প্রায় ৭০ লক্…
মেদিনীপুর: আড়াই বছর প্রশাসকের পক্ষ থেকে মেদিনীপুর পুরসভা পরিচালনার পর প্রায় এক বছর ধরে পৌর বোর্ড গঠন করা হয়েছে। নতুন পৌর বোর্ড এর কাছে এই প্রথম শারদীয়া। তাই শহরকে নতুন করে আলো দিয়ে সাজানোর উদ্যোগ। সেই উদ্দেশ্যে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার এলইডি লাইট দিয়ে সাজানো হচ্ছে মেদিনীপুর শহর এলাকা। থাকছে একাধিক অন্যান্য আয়োজনও।
মেদিনীপুর পৌরসভা এলাকাতে ২৫ টি ওয়ার্ড রয়েছে। শাসকদলের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে দুবার পৌর বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। তারপর বিভিন্ন জটিলতায় পৌর নির্বাচন সম্ভব হয়নি। প্রায় আড়াই বছর ধরে প্রশাসন মেদিনীপুর পৌরসভা পরিচালনা করেছে। তারপরে নির্বাচন হওয়ায় শাসক দলই পুনরায় পৌর বোর্ড দখল করেছে। সেই নতুন পৌর বোর্ডের কাছে প্রথম শারদীয়া। সেই লক্ষ্যে মেদিনীপুর পৌরবাসীর কাছে উপহার হিসেবে পুরো মেদিনীপুর শহরকে নতুন আলোয় সাজানোর উদ্যোগ পৌরকর্তাদের।
মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন-" পুরো শহরকে পূজোর আগে পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। ন্যূনতম দৃশ্য দূষণ যাতে না থাকে তার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলের পোস্টার ব্যানার পতাকা সব খুলে সরানো হচ্ছে। তার সাথে সাথে মেদিনীপুর শহরকে আলোকিত করতে নতুন এলইডি লাইট দিয়ে সাজানো হচ্ছে। এজন্য প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা খরচ করে এলইডি লাইট কেনা হয়েছে। সেই কাজ শেষ হওয়ার পথে।"
শহরের বাসিন্দারাও এই উদ্যোগে অনেকটাই খুশি। মেদিনীপুর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিপূর্বে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার নতুন এলইডি লাইট লাগানো হলে শহরটা অনেক বেশি নিরাপদ হবে বলে দাবি বাসিন্দাদের।
এই উদ্যোগ গুলির সাথে সাথে মেদিনীপুর সদরের বিসর্জন প্রক্রিয়া ও যাতে গান্ধীঘাট ও অন্যান্য ঘাট গুলিতে মসৃণ ভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য বিভিন্ন আয়োজন এবার অতিরিক্ত ভাবে করা হয়েছে। বিসর্জন প্রক্রিয়া তে থাকছে না পুজো কমিটির লোকজন। তাদের সামনেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন পৌরসভার কর্মীরাই, থাকছে বিভিন্ন মেশিনারী।

কোন মন্তব্য নেই