মেদিনীপুরঃ‘১৫ দিনের মধ্যে শুধরে যান, না হলে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।’গড়বেতার তিনটি ব্লকের রিভিউ মিটিং দুর্নীতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাপরিষদের সহকারি সভাধিপতি তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান অজি…
মেদিনীপুরঃ ‘১৫ দিনের মধ্যে শুধরে যান, না হলে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।’ গড়বেতার তিনটি ব্লকের রিভিউ মিটিং দুর্নীতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাপরিষদের সহকারি সভাধিপতি তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান অজিত মাইতির। শুক্রবার গড়বেতা-১, ২, ৩ ব্লকের রিভিউ মিটিংয়ে জেলাশাসক আয়েশা রানিও সতর্ক করেদেন দুর্নীতি প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, আইন-কানুন মেনে সমস্ত কাজ করতে হবে। গ্রাম পঞ্চায়েতে সময় মতো কাজ করে দিতে হবে। পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস বা বিএলআরও অফিস, যেখানেই মানুষ তাদের সমস্যা নিয়ে আসুক তাঁদের সঙ্গে কোনও ভাবে খারাপ ব্যবহার করা যাবেনা। ভালো ব্যবহার করে তাঁদের কাজ করে দিতে হবে। তাঁদের কী সমস্যা রয়েছে তা শুনতে হবে। জেলাশাসক আমি আরও একবার বলে দিচ্ছি, “জিরো টলারেন্স টু কোরাপশন”। কেউ যদি যুক্ত থাকে! সে যেই হোক, ছোট বড় কিছু দেখা হবেনা। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিডিও-দের এবিষয়ে চোখ-কান খোলা রাখতে বলেন। এই তিন ব্লকের সম বন্টন হচ্ছেনা পরিষেবার,জনস্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়েছে, ন্যাস্ত আগ্রহীরা সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে ৷সকলকেই সতর্ক করলাম৷’ বৈঠক থেকে বনদফতরের স্থানীয় আধিকারিকদেরও তুলোধুনা করতে ছাড়েন নি অজিত মাইতি ৷
জানা গিয়েছে, এদিন গড়বেতার তিনটি ব্লকের আধিকারিক, জন প্রতিনিধিদের নিয়ে রিভিউ মিটিং হয়। মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, গড়বেতার বিধায়ক উত্তরা সিংহ
হাজরা, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি তথা পিংলার বিধায়ক অজিত
মাইতি সহ অন্যান্যরা। দূর্নীতি প্রসঙ্গ অজিতের হুঁশিয়ারি, সাবধান
হয়ে যান। কোনও রকম দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। গড়বেতার তিনটি ব্লক থেকে নানা রকম
অভিযোগ আসছে। গাছ কাটা, আবাস যোজনায় দূর্নীতি ইত্যাদি। গ্রামের
মানূষেরা জেলাশাসক ও আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, কোনও প্রধান গাছ কাটার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন
না। বন দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের অনুমতি নিন। এই তিনটি ব্লকে কাজ ও টাকা সমান
ভাবে ডিস্ট্রিবিউশন হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই তিনটি ব্লক নিয়ে অসন্তুষ্ট।
আবাস যোজনার দুর্নীতিতে আমাদের দলের অনেকে যুক্ত। তাঁদের বলে দিচ্ছি, যারা এখনও গ্রেপ্তার হননি, পনেরো দিনের মধ্যে সাবধান
হয়ে যান। শুধরানোর সময় দিলাম। যারা টাকা নিয়েছেন ফেরত দিয়ে দিন। যা কাজ বাকি আছে
১৫ দিনের মধ্যে করে দিন, না হলে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেওয়া
হবে।’

কোন মন্তব্য নেই