Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

তৃণমূলের প্রধানকে অনাস্থা প্রস্তাবে হারালো তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরাই, বিড়ম্বনয় দল

মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের শি​রো​​মনি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনস্থা। তৃণমূলের প্রধান ঝুমা মন্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে তাকে সরালেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরাই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপ…

 



মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের শিরোমনি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনস্থা। তৃণমূলের প্রধান ঝুমা মন্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে তাকে সরালেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরাই। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে এই প্রস্তাব পা হয়ে গিয়েছে।তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের দাবি "এটা দলের সিদ্ধান্ত",অন্যদিকে তৃণমূল জেলা সভাপতির দাবি, "ওটা স্থানীয় স্তরের সিদ্ধান্ত, দলের নয়।"দলের কর্মীদের এই বিড়ম্বনাতে খোঁচা বিজেপির।
পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের শিরোমনি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯ টি আসন। যার মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল দুটি, ১৭ টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল।
লে ২০১৮ সালে তৃণমূল সেখানে বোর্ড তৈরি করেছিল। পঞ্চায়েত প্রধান হয়েছিলেন তৃণমূলের ঝুমা মন্ডল।বোর্ড গঠনের অল্প দিন পরেই দলেরই সদস্যদের সাথে গন্ডগোল বাধে ঝুমার ৷
তৃণমূলের সদস্যদের
পক্ষ থেকে মলয় কান্তি ঘোষের অভিযোগ "ঝুমা মন্ডল স্বৈরাচারী হয়ে কাজকর্ম পরিচালনা করছিলেন। সাধারণ মানুষ যেমন পরিষেবা পেতে হয়রান হচ্ছিলেন, তেমনি সদস্যরাও সহযোগিতা করে কাজ করতে পারছিলেন না। যে কারণে গত এক বছরে দুবার তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব বিডিও অফিসে গিয়ে জমা দিয়েছিলেন তৃণমূলের ১৬ জন পঞ্চায়েত সদস্যই। প্রথমবার দল বুঝিয়ে প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য করেছিল।এর পরেও পরিস্থিতি না শোধরাতে পুনরায় বিডিও অফিসে গিয়ে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরা এক মাস আগে  পুনরায় অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন।পুরো প্রক্রিয়া দলের সিদ্ধান্ত অনুসারে ৷"

গত এক মাস আগে সমস্ত সদস্যরা অনাস্থার আবেদন করেছিলেন বিডিও অফিসে ৷ সেই মতো মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চায়েত অফিসে বিডিও অফিসের পক্ষ থেকে আধিকারিকরা উপস্থিত হয়েছিলেন। তাদের সামনেই তৃণমূলের বাকি ১৬ জন পঞ্চায়েত সদস্য অনাস্থা ভোট দেন যাতে ১৬ জনই প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থায় প্রকাশ করেন৷ ফলে পা হয়ে যায় প্রস্তাবতবে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেননি বিজেপির বাকি দুই পঞ্চায়েত সদস্য।

বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন-" এটা দলের কোনো সিদ্ধান্ত নয়। স্থানীয় স্তরে ওনাদের কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল তাই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে। এটা দলের নির্দেশ নয়।"​     ​তবে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যদের দাবি তারা দলের নির্দেশে এই কাজ করেছেন। প্রক্রিয়াকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অরূপ দাস। তিনি বলেন "আসলে বখরা নিয়ে বনিবনা না হওয়াতে একজন প্রধানকে সরালেন। আবার অন্য কোন ব্যক্তিকে বখরা চুক্তি হলে প্রধান পদে পুনরায় বসাবেন এটাই তৃণমূলের নিয়ম।"

 

কোন মন্তব্য নেই