মেদিনীপুর: অস্থায়ী কর্মীদের বেতন কাটাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা মেদিনীপুর পৌরসভার সামনে। মেদিনীপুর পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য নেওয়া কর্মীদের দৈনিক কুড়ি টাকা করে বেতন কাটা হচ্ছে বলে দাবি কর্মীদের। তারই প্রতিবাদের সোমবার সক…
মেদিনীপুর: অস্থায়ী কর্মীদের
বেতন কাটাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা মেদিনীপুর পৌরসভার সামনে। মেদিনীপুর পৌরসভার
বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য নেওয়া কর্মীদের দৈনিক কুড়ি টাকা করে বেতন কাটা হচ্ছে বলে
দাবি কর্মীদের। তারই প্রতিবাদের সোমবার সকাল থেকে পৌরসভার
সামনে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ কর্মীদের। তা থেকেই ছাড়ায় উত্তেজনা। উত্তেজিত
কর্মীরা ভেঙে ফেলে পৌরসভার বন্ধ রাখা লোহার গেট। ধুন্ধুমার কান্ড বেধে গেলে
সমালোতে ছুটে আসে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীদের একটা
সময় প্রতিদিনকার বেতন ২২৬ টাকা করে
দেওয়া হতো। বর্তমানে দুমাস ধরে চব্বিশ টাকা করে বেতন কেটে নেওয়া হয় বিশেষ
সরকারি নির্দেশে। এরই প্রতিবাদে কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতিতে সামিল
হয়েছে পৌরসভার কয়েকশো অস্থায়ী কর্মী। গত তিনদিন আগেও অনুরুপ কর্মবিরতি বিক্ষোভ
দেখিয়েছিলেন। সোমবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে ফের বিক্ষোভ মেদিনীপুর পৌরসভার সামনে।
পৌরসভাতে উপস্থিত কয়েকজন কাউন্সিলার বোঝানোর চেষ্টা করলেও
উত্তেজিত কর্মীরা ভেঙে দেয় পৌরসভার লোহার একটি গেট।চরম উত্তেজনা তৈরী হয় ৷
পৌরসভার কাউন্সিলর ইনচার্জ সুশময় মুখার্জি বলেন-" আমরা বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম অনেক। কিন্তু শ্রমিক
সংগঠনের নেতা তপন মুখার্জী প্ররোচনায় একদল কর্মী ভাঙচুর তাণ্ডব শুরু করে। হেনস্থা
করা হয় সকলকে। আমরা কর্মীদের সঙ্গে সহমর্মী কিন্তু একদল লোক তাণ্ডব করছে।"
অন্যদিকে শ্রমিক সংগঠনের নেতা তপন মুখার্জী দাবি করেন-" বেআইনিভাবে সুডার নির্দেশে গত দু মাস ধরে কর্মীদের বেতন কাটা হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি এবং পুরনো টাকা দাবি করেছি। তা নিয়ে আন্দোলন হচ্ছিল। কিন্তু পৌরসভার কাউন্সিলরদের একটা অংশ আমাদের আন্দোলনের মধ্যে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করেছে।তাদের কারণে উত্তেজনা বেড়েছে। ওরা আমাদের ন্যায্য আন্দোলন ও দাবীকে ভাঙ্গার চেষ্টা করছে।"
সোমবার বেলা দশটা থেকে উত্তেজনা
চরম তৈরি হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় কোতোয়ালি থানার পুলিশকে। দীর্ঘ সময় লাগে
পরিচিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে। মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান জানান-"
বেতন সংক্রান্ত একটা সমস্যা হয়েছিল, সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে,
মিটে যাবে।"

কোন মন্তব্য নেই