মেদিনীপুর: অবৈধ বালি কারবার রুখতে জোর অভিযান পুলিশ ও প্রশাসনের। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে প্রতিটি বালি খাদানে অভিযান চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসন, ভূমি দপ্তরের আধিকারিক ও পুলিশ। বুধবার রাত থেকে চলা অভিযানে মেদিনীপুর সদরেই বাজেয়াপ্ত …
মেদিনীপুর: অবৈধ বালি কারবার
রুখতে জোর অভিযান পুলিশ ও প্রশাসনের। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে প্রতিটি বালি
খাদানে অভিযান চালাচ্ছেন জেলা প্রশাসন, ভূমি দপ্তরের আধিকারিক ও
পুলিশ। বুধবার রাত থেকে চলা অভিযানে মেদিনীপুর সদরেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে বহু বালি
তোলা মেশিন, নৌকা প্রভৃতি।অভিযান বাজেয়াপ্ত হয়েছে
বৃহস্পতিবারও৷ তবে কোন গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেনি৷কয়েকদিন ধরেই
ভূমি রাজস্ব দফতরের পক্ষ থেকে বেশ কিছু বালি লরিকে আটক করা হয়েছিল ৷
বুধবার রাত থেকে খড়্গপুর গ্রামীণের জিন শহর
এলাকায় কংসাবতী নদীতে ব্যাপক অভিযান চলে। পাঁচটি বালি তোলার মেশিন বাজেয়াপ্ত করা
হয়েছে। জানা গিয়েছে, খড়্গপুর গ্রামীণের জিন শহর এলাকায় একটাও
বৈধ বালি খাদান নেই। তারপরও রাতের অন্ধকারে মেশিন দিয়ে চলছিল বালি তোলা। সেই খবর
জেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছালে রাতভর অভিযান চালায় নদীপথে। স্পিডবোর্ট দিয়ে কংসাবতী
নদী পথে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি মেশিন বাজেয়াপ্ত করলেও কেউ আটক হয় নি।
পাশাপাশি বৃহস্পতিবার বিকেলে
মেদিনীপুর সদরের মনিদহ এলাকায় অবৈধ বালি তোলা হচ্ছে কিনা তা দেখতে অভিযান চালালো
গুড়গুড়িপাল খানার পুলিশ। সূত্রের খবর মনিদহ পার্ক থেকে একশো মিটার দূরে একটি
বালিখাদান রয়েছে। রাতের অন্ধকারে সেই খাদান তার নিজস্ব সীমানা পেরিয়ে অবৈধ ভাবে
বালি উত্তোলন করছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের পরই হানা দেয় পুলিশ। যদিও সেই
সময় অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের কোন ছবি ধরা পড়েনি। তবে রাতের অন্ধকারে ফের অভিযান
চালানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
একই সময়ে খড়গপুর গ্রামীণের
হরিশপুর এলাকাতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কংসাবতী নদীতে অবৈধভাবে বালি তোলার অভিযোগ
পেয়ে অভিযান চালায় ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকরা। মেদিনীপুর সদর মহকুমা শাসক, ও কোতোয়ালি পুলিশের উপস্থিতিতে ওই এলাকায় দীর্ঘ অভিযানে অবৈধভাবে বালি
তোলার বেশ কিছু যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বেশ কয়েকটি মেশিন নৌকো বাজেয়াপ্ত
করে জেসিবি দিয়ে তুলে নিয়ে এসেছে পুলিশ।
কোন মন্তব্য নেই