ডেবরা: বিডিও-এসডিও-দের সাথে মানুষের সংযোগ নেই,তাই তাদের গদিওয়ালা চেয়ার সরিয়ে কাঠের চেয়ার দিয়ে,এসি খুলে,এন্টি চেম্বার বন্ধ করতে হবে৷যাতে বাইরে বের হয়ে এলাকায় যান৷ তা না হলে উন্নয়নের কাজ এগোবেনা৷ডেবরাত প্রশাসনিক বৈঠকে জেলা শাসকের ক…
ডেবরা: বিডিও-এসডিও-দের
সাথে মানুষের সংযোগ নেই,তাই তাদের গদিওয়ালা চেয়ার সরিয়ে কাঠের চেয়ার দিয়ে,এসি খুলে,এন্টি
চেম্বার বন্ধ করতে হবে৷যাতে বাইরে বের হয়ে এলাকায় যান৷ তা না
হলে উন্নয়নের কাজ এগোবেনা৷ডেবরাত প্রশাসনিক বৈঠকে জেলা শাসকের
কাছে জানালেন ডেবরার তৃণমূলের বিধায়ক ডাঃ হুমায়ুন কবীর ৷
মুলত ডেবরা অডিটোরিয়াম হলে এলাকার
উন্নয়ন সংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয় বৃহস্পতিবার। যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা
শাসক আয়েশা রানি সহ ব্লক ও অঞ্চলের প্রশাসনিক আধিকারিকরা সকলেই।আর সেই মিটিং-এই
উপস্থিত জেলাশাসক আয়েশা রানী-কে সকালের সামনে নিজের অভিজ্ঞতা ব্যাক্ত করেন ডেবরার
বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ৷
তিনি বলেন-“বিডিও এবং এসডিও দের গদিওয়ালা মোটা মোটা চেয়ার ছাড়াতে হবে,কাঠের চেয়ার দিতে হবে। যাতে বসতে ভালো না লাগে ।বাইরে যাতে বের হয়
তাঁরা। এসি খুলে দিয়ে অ্যান্টি রুম চেম্বার বন্ধ করতে হবে।তবে কাজ হবে। বিডিওরা
বাড়িতে বসে থাকলে কাজ হবে না। এই সমস্ত অফিসারদের প্রবণতা রয়েছে কোথাও যায় না।
বিডিও তবু যায়। এসডিও তো একদিনও আসেননি কোন জায়গাতে।। আমি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ
করছি না। আমার বলার কারণ এনারা না গেলে মানুষের কাজ হবে কি করে। গ্রামের মানুষের
সাথে সংযোগ নেই। অঞ্চলে যায় না। আমি ১৪ টার মধ্যে ১১ টা অঞ্চল পর্যালোচনা করেছি।
অথচ এনারা যান না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যা করে দিয়েছেন তার
৬০ শতাংশও যদি ঠিকমতো অনুসরণ করেন তাহলেও অনেক কাজ হবে।বিষয়টা আমি জেলা শাসকের
নজরে এনেছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।”
তাঁর এই নিদানে খানিকটা জল্পনা তৈরী হলেও
অনেকেই তাঁর মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন ৷

কোন মন্তব্য নেই