Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

"স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধে অচৈতন্য করে বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষণ করানোর চেষ্টা, ভিডিও রেকর্ড করছেন স্বামী" চাঞ্চল্যকর অভিযোগ খড়্গপুরে

মেদিনীপুর: স্ত্রী ও দুই সন্তানকে একাধিক ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে স্ত্রীকে বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষণ করানোর চেষ্টা। আর সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করছেন খোদ স্বামী। অর্ধ অচেতন স্ত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে পেলেন স্বামীর বন্ধুকে। তাকে পালা…

 


মেদিনীপুর: স্ত্রী ও দুই সন্তানকে একাধিক ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে স্ত্রীকে বন্ধুকে দিয়ে ধর্ষণ করানোর চেষ্টা। আর সেই মুহূর্তের ভিডিও রেকর্ড করছেন খোদ স্বামী। অর্ধ অচেতন স্ত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে পেলেন স্বামীর বন্ধুকে। তাকে পালাতে সাহায্য করে স্বামী। বিষয়টির প্রতিবাদ করতে শাশুড়ি ও ননদের হাতে ঝাঁটা পেটা হতে হলো বধুকে। অসুস্থ ওই বধুকে ভর্তি করা হলো মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

 ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত বারোটা নাগাদ পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর এর সাদাতপুর পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত গোকুলপুর এলাকায়। ওই দম্পতির দুই ছোট সন্তান রয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী পেশায় সবজি বিক্রেতা। বিয়ের পর থেকেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর উপর প্রায়শই অত্যাচার করতে বলে অভিযোগ। বিষয়টি মিটমাট করার জন্য বেশ কয়েকবার পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপও করতে হয়েছে। তবে শুক্রবার যা ঘটলো তাতে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে ওই বধূ ও তার বাপের বাড়ির পরিবারের লোকজনের। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতেই অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বছর ত্রিশের ওই বধুর দাবি- "আমি শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকায় আমার স্বামী গতকাল রাতে বেশ কিছু ওষুধ এনে দেয় ।আমাকে বলে তোর নার্ভের সমস্যা রয়েছে ,এই ওষুধগুলো খেয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে পড় ।ছেলেদের সমস্যা হলে আমি দেখে নেব ।এরপর ছেলেদেরও একটা টনিক ওষুধ খেতে দেয়। ওষুধ খাওয়ার পর আমরা ঘুমিয়ে পড়ি ।রাত বারোটা নাগাদ বুঝতে পারি আমার উপরে কেউ চাপার চেষ্টা করছে। এবং আমি প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় ছিলাম, কোনো একটা ওষুধ খেয়ে নেওয়ার ফলে আমার হাত পা ও চোখ খোলার ক্ষমতা ছিল না। তাতেও আমি ওই লোকটি আমার স্বামী নয় বুঝতে পেরে ঠেলে সরিয়ে দিই, কোন ভাবে মশারি থেকে পড়ে গিয়েও তার কলারটা ধরে ফেলি। তাকে চিনতে পেরে যাই, আটকানোর চেষ্টা করলে দেখতে পাই পাশে থেকে আমার স্বামী পুরো মোবাইলে পুরো ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করছিল প্রথম থেকে। এবং সেই তার বন্ধুকে দিয়ে এই কাজ করাচ্ছিল পরিকল্পিতভাবে। স্বামীর বন্ধুকে আমি ধরে ফেলতে আমার হাত থেকে ছাড়িয়ে নেয় আমার স্বামী। এরপর দুজনেই বাড়ি থেকে পালায়। এখনো আমি প্রায় হাত পা অনেকটা দুর্বল। আমার ছেলেদের কি খাইয়েছে তারা এখনও ঘুমিয়ে যাচ্ছে।"


ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করায় শাশুড়ি ও ননদ ঝাঁটা নিয়ে বেধড়ক প্রহার করেছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ওই বধুর বাবা ওই বাড়িতে হাজির হয়। তিনি বলেন-" বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজনকে আমি ফোনে প্রথমে জানাই রাস্তায় আসার সময়। কোন নেতাকর্মী আসেনি আমার মেয়েকে রক্ষা করতে। পুলিশকে জানালে পুলিশ এসে দু একটি কথা বলে কোনরকম পদক্ষেপ না নিয়েই ফেরত চলে যায় মেয়েকে সেখানে রেখেই। সকালেও পুলিশের কাছে গেলে বারোটা পর্যন্ত আমাদের বসিয়ে রাখে। শেষে পরামর্শ দেয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাটা করুন। দুপুরের পর অভিযোগ নেয়। ঘটনার পর আমার মেয়ে প্রতিবাদ করেছিল বলে, ওর শাশুড়ি ও ননদ প্রচণ্ড প্রহার করেছে ঝাঁটা নিয়ে। তার বিভিন্ন চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্বামীর বন্ধুর খোঁজ করছে পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই