মেদিনীপুর:- মেদিনীপুর শহরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে বুধবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নির্মল মাঝি৷ বিধায়ক দিনেন রায়কে সঙ্গে নিয়ে বিধায়ক দীনেন রায়, মে…
মেদিনীপুর:- মেদিনীপুর শহরে একটি অনুষ্ঠানে
যোগ দিতে এসে বুধবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের
স্বাস্থ্য দফতরের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নির্মল মাঝি৷ বিধায়ক দিনেন রায়কে
সঙ্গে নিয়ে বিধায়ক দীনেন রায়, মেডিক্যাল কলেজ
অধ্যক্ষ পঞ্চানন কুণ্ডুকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। কথা
বলেন রোগীদের সঙ্গেও। ঘুরে দেখেন কিচেনও। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে বেশ কিছু পরামর্শও
দিয়েছেন তিনি।চিকিত্সকদের সঙ্গে কথা বলার পরে সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন-“চিকিতসকদের
বলা হয়েছে ডিউটির সময় ডিউটি করুন,সেই সময়ে প্রাইভেটে বা নার্সিংহোমে কাজ করবেন না
৷ তাহলে স্বাস্থ্য দফতর থেকে শাস্তিনামা জারি হবে ৷ সেই সাথে সতর্ক করা হয়েছে
আয়াদেরও৷”
হাসপাতাল পরিদর্শন করে বেশ কিছু নতুন পরিষেবা শীঘ্রই চালু হবে বলে
জানিয়ে যান এদিন৷তিনি বলেন “করোনার কারনে কাজ কিছুটা পিছিয়ে গেলেও
আগামী আট বা নয় মাসের মধ্যেই অত্যাধুনিক ক্যাথল্যাব চালু হয়ে যাবে মেদিনীপুরে।
কলকাতার বাইরে মেদিনীপুরের মতো জায়গাতেই বাইপাশ সার্জারির মতো সুবিধা পাবেন
মানুষজন। শীঘ্রই চালু হয়ে যাচ্ছে একশো বেডের কার্ডিওলজি বিভাগও।যেখানে ৫০ টি করে
আসন পুরুষ ও মহিলাদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।মেদিনীপুর হাসপাতালে পিপিপি মডেলে এমআরআই
সেন্টার আছে। এর পাশাপাশি হাসপাতালের নিজস্ব এমআরআই মেশিন বসানোরও চিন্তাভাবনা
করছে সরকার। আবার সেরিব্রাল অ্যাটাক রোগীদের জন্য টেলি নিউরো মেডিসিন বিভাগও
খোলা হচ্ছে।হাসপাতালে বেশীরভাগ ওষুধই পাওয়া যায়। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের
নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার ওষুধের বাজেটে ২০ শতাংশ এবং স্বাস্থ্যখাতে ১২ শতাংশ
ব্যয়বরাদ্দ করেছে। ফলে কুকুর কামড়ানো, সাপে কামড়ানোর ওষুধ
থেকে শুরু করে সবকিছুই মজুত আছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যেন যথাসময়ে তা আনিয়ে নেন।
এরপরও যদি কোনও ওষুধ স্টকে না থাকে তাহলে সুপারকে নির্দেশ দেওয়া আছে গরীব
রোগীদের প্রয়োজনে সেই ওষুধ খোলা বাজার থেকে কিনে নিতে৷”

কোন মন্তব্য নেই