ঘাটাল: প্রায় দুই দশক ধরে রাজনৈতিক লড়াই এর পরে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কিছুটা এগিয়েছে। ঘাটালের বন্যা নিয়ন্ত্রণে মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের জন্য বারোশো কোটির বরাদ্দ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। যার পূর্বধাপ হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট ক্লিয…
ঘাটাল: প্রায় দুই দশক ধরে
রাজনৈতিক লড়াই এর পরে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কিছুটা এগিয়েছে। ঘাটালের বন্যা
নিয়ন্ত্রণে মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণের জন্য বারোশো কোটির বরাদ্দ ঘোষণা করেছে
কেন্দ্র সরকার। যার পূর্বধাপ হিসেবে ইনভেস্টমেন্ট ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।
এখনো অর্থ মন্ত্রকের অর্থ বরাদ্দ বাকি। এরপরই ঘাটালে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন
জানিয়ে অভিনন্দন যাত্রা আয়োজন করল বিজেপি। বাইক রেলি, পদযাত্রা ও সমাবেশ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি কর্মীদের জানিয়ে
গেলেন-" পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরেই ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। এই লোকসভা
নির্বাচনে ঘাটাল লোকসভা আমাদেরকে জিতে নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিতে হবে । কারণ
নরেন্দ্র মোদি ঘাটালের মাস্টার প্ল্যান আমাদের দিয়েছেন।"
সেখানে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। এক হাজার মানুষ এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সভার বক্তব্যে সুকান্ত মজুমদার মা কালী কে নিয়ে মন্তব্য থেকে বিজেপির সভাতে পুলিশের হয়রানি নিয়ে বেশ কিছু বিতর্কিত বক্তব্য রাখেন । তিনি বলেন -"তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র মা কালীকে অপমান করেছে, তার প্রতিবাদ করতে হবে। জয় মা কালী বলে বলিও দিতে হবে ।মা কালী বলিও পছন্দ করেন, প্রয়োজনে মা কালীর সামনে পাঁঠা বলি দিতে হবে। ঘাটালের মানুষকে লড়াই করতে হবে। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন, তারপরেই ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন ।আমাদের ঘাটাল লোকসভা জিতে নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিতে হবে । কারণ নরেন্দ্র মোদি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমাদের দিয়েছেন।"
এরপরেই পুলিশ নিয়ে তোপ দাগেন। তিনি বলেন "আমাদের সবার জন্য নাকি পুলিশ বাধা দিচ্ছিল। আপনাদের পোশাকে মাথার ওপরে ও কাঁধে অশোক স্তম্ভ আছে, নাকি হাওয়াই চটি? অশোক স্তম্ভ থাকলে সংবিধান অনুযায়ী আচরণ করবেন। না হলে আমরা অশোক স্তম্ভ খুলে হাওয়াই চটি লাগিয়ে দেবো। মনে রাখবেন বিজেপিকে দমাতে ইন্দিরা গান্ধী পারেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নস্যি, বিদ্যাসাগরের বাংলাকে ত্বহা সিদ্দিকীর বাংলা হতে দেওয়া যাবে না।"
বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ এদিন বলেন-"এই রাজ্যে বেশিরভাগ নিয়োগই ভূয়ো, এবার কি ভূয়ো মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ মন্ত্রী দেখবো ? রাজ্যটা একটা জল জ্যান্ত চিটিং এর কারখানা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব স্থানে তৃণমূল যুক্ত রয়েছে। রাজ্য সরকার চাইলেই এগুলো বন্ধ করতে পারতো। তাই বর্তমানে সিবিআই ও আদালত ব্যবস্থা নিচ্ছে।"

কোন মন্তব্য নেই