চাঁদড়া: ভোরেরবেলাগ্রামেরলোকজনঘুমথেকেওঠারআগেইগ্রামেরভেতরেহাজিরহয়েগেলবিশলদেহীহাতিরামলাল৷কোনোতন্ডবকরতেনয়,খাবারেরখোঁজে৷গ্রামেরলোকেরাওহাতিদেখলে
চাঁদড়া: ভোরের বেলা গ্রামের লোকজন ঘুম থেকে ওঠার আগেই গ্রামের ভেতরে হাজির হয়ে গেল বিশলদেহী হাতি রামলাল ৷ কোনো তন্ডব করতে নয়,খাবারের খোঁজে ৷ গ্রামের লোকেরাও হাতি দেখলে যেভাবে আতঙ্কিত হতেন রামলালকে দেখে তা হল না ৷ বরং বলা ভালো রামলালকে দেখে খুশি হলেন ৷ গ্রামবাসীরা বিলক্ষন জানেন এই রামলাল আসলে শান্ত স্বভাবের হাতি ৷ খাবারের প্রয়োজন ছাড়া কোথায় কিছু করেনা ৷ খাবার খেয়ে চুপচাপ সরে যায় ৷ তাই তাকে পেয়ে ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে আতিথেয়তা শুরু হল গ্রামবাসীদের ৷ –পুরো চিত্রটা দেখা গেল মেদিনীপুর সদরে শির্ষী গ্রামে ৷
সকাল ৯ টা পর্যন্ত গ্রামের বিভিন্ন অলিতে গলিতে ঘুরলো রামলাল ৷ আর গ্রামের লোকেরা নিজের বাড়ির সামনে হাজির হতে যে যার মতো খাবার বাড়িয়ে দিলেন ৷ কেউ ধান তো কেউ চাল-এই সব ৷ কোথাও আবার রাস্তার পাশে কলাগাছ পেয়ে খেয়ে সাবাড় করে দিল হাতিটি ৷ তবে শির্ষী গ্রামে সকাল থেকে রামলাল ভক্ত গ্রামবাসীদের ভক্তি ছিল ঢালাও ৷ যেন গণেশ ঠাকুরের প্রতিনিধি মনে করেই তাঁকে ভক্তি ভরে খাবার দিয়ে খুশি করার চেষ্টা দেখা গেল গ্রামবাসীদের মধ্যে ৷
একদিন আগেই এই গ্রাম থেকে কিছুটা দুরে একটি রেশন দোকানের শার্টার ভেঙে অন্য একটি হাতির রেশনের বস্তা টেনে চাল খেয়ে সাবাড় করেছিল ৷ তাকে দেখে আতঙ্কের কারন তৈরী হয়েছিল ৷ তবে এক্ষেত্রে রামলালকে দেখে তা হয় নি ৷ তবে রামলালকে কোনো কিছু ভেঙে বা তছনছ করে খেতে হয় নি ৷ রামলাল যে রাস্তা দিয়ে গিয়েছে সেখানকার গ্রামবাসীরা নিজেদের মতো করে চাল বা অন্যকিছু খাবার বাড়িয়ে দিয়েছেন ৷ কেউই বিরক্ত করেনি সেভাবে ৷বনদফতরের পক্ষ থেকে স্থানীয় কর্মী খোকন মাহাতো বলেন- “রামলাল
প্রবেশ করতেই আমরা নজরদারি রেখেছিলাম ৷ কারও তেমন কোনো ক্ষতি করেনি ৷ গ্রামবাসীর যা
খাবার দিয়েছিল , তা খেয়েই সে বেরিয়ে গিয়েছে ৷ তবে রামলাল প্রবেশ করতেই গ্রামবাসীদের
মধ্যে উপভোগ্য পরিস্থিতি তৈরী হয়েছিল ৷”

কোন মন্তব্য নেই