Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

TMC : মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির চত্বরে আটক যুবক "মানসিক ভারসাম্যহীন" দাবি স্ত্রী পুনম বিবি-র

মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়েছে এত যুবককে ৷ ধৃত যুবকের নাম নুর আমিন৷ তাঁর কাছ থেকে নাকি ধারালো অস্ত্র সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে ৷ ভুয়ো পুলিশ পরিচয় দিয়ে সেখানে ছিল সে ৷ যুবকের স্…

 

মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে থেকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়েছে এত যুবককে ৷ ধৃত যুবকের নাম নুর আমিন৷ তাঁর কাছ থেকে নাকি ধারালো অস্ত্র সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গিয়েছে ৷ ভুয়ো পুলিশ পরিচয় দিয়ে সেখানে ছিল সে ৷ যুবকের স্ত্রীর দাবি “স্বামীর মানসিক সমস্যা রয়েছে ।কোন খারাপ কাজের সঙ্গে তবে সে জড়িত নয়”

 

 প্রসঙ্গক্রমে বলা যায়  শুক্রবার একুশে জুলাই কর্মসূচি ছিল কলকাতায় । আর তাই নিয়ে ব্যস্ত ছিল তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শাসক দল তৃণমূল। গতকাল থেকেই লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামে এই একুশে জুলাই কর্মসূচি উপলক্ষে জমায়েত হওয়ার। কিন্তু এরই মধ্যে সকাল বেলায় এক যুবক মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির গলিতে হাজির হন পুলিশ লেখা গাড়ি নিয়ে ৷ তাঁর অবস্থান নিয়ে সন্দেহ হওয়াতে পুলিশ তাঁকে আটকে জেরা করতেই ধরা পড়ে অসঙ্গতি ৷ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করার পর দেখা যায় তার কাছ থেকে ভোজালি এবং বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র এরই সঙ্গে বিএসএফের বিভিন্ন লোগো ও পুলিশের ভুয়ো কার্ড রয়েছে। তাঁকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে ৷

 

এই ঘটনায় কলকাতা জুড়ে চাঞ্চল্য, জানা যায় ধৃত যুবকের শ্বশুরবাড়ি মেদিনীপুর শহরের ওলিগঞ্জ এলাকায়। শ্বশুরবাড়ির দাবি- সে কলকাতাতেই থাকে। তবে মাঝে মধ্যে যাতায়াত করে৷

 

 এদিন মেদিনীপুরে শশুর বাড়িতে তার স্ত্রী পুনম বিবি জানালেন- "তার স্বামী মানসিকভাবে সমস্যায় রয়েছে ।চিকিত্সা চলছে তাঁর ৷ একটা সময় বিএসএফের বিভিন্ন জিনিসপত্র সরবরাহের ঠিকাদার ছিল সে। তাই তার কাছে হয়তো বিএসএফ সম্পর্কিত জিনিসপত্র ছিল। তবে সে কোনো খারাপ কাজের সাথে জড়িত নয় ৷”

 

অলিগঞ্জ এলাকায় শশুর শাশুড়ি সামান্য একটি ছোট্ট পানের দোকান করে সংসার চালান। মেদিনীপুর শহরে কোতোয়ালি থানার সামনেই তাদের ওই এলাকা।সাথে এও জানাগিয়েছে, ওই যুবকের আসল বাড়ি জেলার ডেবরা থানার চন্ডিপুর গ্রামে ৷ চার ভাই একসঙ্গেই থাকতো। সেখ নূর আমিন সেজ ভাই। বিয়ে করার পর থেকে আর গ্রামের বাড়ীতে থাকে না সে।মেদিনীপুর শহরে শশুর বাড়ীতেই থাকতো।এমনকি তিন বছর আগে ভোটার কার্ডও স্নানান্তর করে নিয়েছে। এই ঘটনা শোনার পরে তাঁর বৃদ্ধা মা আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়ে ৷

কোন মন্তব্য নেই