Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Midnapur Municipality:"অনাস্থা" সংক্রমণে আক্রান্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল, আটকাতে মরিয়া চেষ্টা দলের

মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর পৌরসভার তৃণমূল পরিচালিত পৌরবোর্ড়ের চেয়ারম্যান সম্প্রতি দলের কাউন্সিলরদের অনাস্থাতে পদত্যাগ করেছেন। তারপরেই অনুরূপ পদ্ধতিতে মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে দলের কাছে অনাস্থা কা…

 

মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর পৌরসভার তৃণমূল পরিচালিত পৌরবোর্ড়ের চেয়ারম্যান সম্প্রতি দলের কাউন্সিলরদের অনাস্থাতে পদত্যাগ করেছেন। তারপরেই অনুরূপ পদ্ধতিতে মেদিনীপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে দলের কাছে অনাস্থা কাউন্সিলরদের। জেলার বাকি পাঁচটা পৌরসভাতেও অনুরূপ পরিচিতি ঘটতে পারে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দলে। মরিয়া চেষ্টা সমন্বয়ের।

খড়গপুর পৌরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল তৃণমূলেরই অধিকাংশ কাউন্সিলর। প্রাথমিকভাবে দল আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। জেলা ছেড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর দ্বারস্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের চেয়ারম্যান কে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় তৃণমূলেরই কাউন্সিলরদের পক্ষ থেকে। সেই অস্বস্তি পুরোপুরি কাটানোর আগেই ফের মেদিনীপুর পৌরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সৌমেন খানের বিরুদ্ধে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনাস্থা চিঠি দলের অধিকাংশ কাউন্সিলরের। সেই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করা তৃণমূলের কাউন্সিলর লিপি বিশুই বলেন-"বোর্ডের বেশিরভাগ সিদ্ধান্ত আমাদের না জানিয়েই হচ্ছে। অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ থেকে শুরু করে ওয়ার্ড উন্নয়নের টাকা বিলিতেও পক্ষপাতিত্ব করছে। এরই প্রতিবাদ করে আমরা এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছি।"

তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন-" কাউন্সিলরদের একটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমাকে জানিয়ে ছিলেন। আমি চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু আশানুরূপ ফল হয়নি মনে করে কাউন্সিলাররা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চলে গিয়েছেন। দল বিষয়টা দেখছে।"

সম্প্রতি মেদিনীপুর শহরে মেদিনীপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল মেদিনীপুর কলেজ মাঠে। মহরম ও পুজো কমিটিকে সম্মানিত করণ হয় সেখানে। যেখানে অনেক তৃণমূলের কাউন্সিলরাই অনুপস্থিত ছিলেন।

পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন-" আমাকে নেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি সেটা নিয়ম মেনে পালন করার চেষ্টা করছি। আমার কাজে বোর্ডের সমস্ত কাউন্সিলরদেরই সামিল করার চেষ্টা রাখি। এরপরেও কে বা কারা কি অভিযোগ করেছেন আমার জানা নেই।"

এই পরিস্থিতিতে বিজেপির কটাক্ষের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন-" কাট মানির ভাগাভাগি না পেলেই যেভাবে খড়্গপুরের চেয়ারম্যান পরিবর্তন হয়েছে, অনুরূপ পদ্ধতিতে মেদিনীপুরের চেয়ারম্যান পরিবর্তনও হতে চলেছে। দলের গোষ্ঠী কোন্দলের জর্জরিত শাসক দল।"

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে সাতটি পৌরসভা। সমস্ত পৌরবোর্ডই তৃণমূলের দখলে। ফলে খড়্গপুরের পর মেদিনীপুর পৌরসভা যেভাবে অনাস্থা সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েছে, সেই একই সংক্রমণ যাতে অন্যান্য পৌরসভা গুলিতে না প্রবেশ করে, তা আটকানোর চূড়ান্ত চেষ্টা শুরু করেছে জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মন্তব্য না করলেও, সমস্ত কাউন্সিলরদের সঙ্গে বসে এই অনাস্থা পাশ আটকানোর মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে।



কোন মন্তব্য নেই