গড়বেতা: বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি কে মারধরের পর এবার জেলা সভাপতিকেই ঘিরে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজনাপূর্ণ হয় যে বিজেপি জেলা সভাপতিকে উদ্ধার করতে হয় পুলিশ গিয়ে। সেই ঘটনার ছবি মোবাইলে ভাইরাল হলেও বিষয়টি বেমালম অস্বীকার করেছ…
গড়বেতা: বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি কে মারধরের পর এবার জেলা সভাপতিকেই ঘিরে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি এতটাই উত্তেজনাপূর্ণ হয় যে বিজেপি জেলা সভাপতিকে উদ্ধার করতে হয় পুলিশ গিয়ে। সেই ঘটনার ছবি মোবাইলে ভাইরাল হলেও বিষয়টি বেমালম অস্বীকার করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস মিশ্র। তবে এবারও কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি তৃণমূল জেলা নেতারা।
শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ের ভেতরে বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি মারধর করেছিল গড়বেতা থেকে আসা বিজেপির এক মন্ডল সভাপতি ঠাকুরদাস মিদ্দা। দলীয় কার্যালয়ের সিসিটিভিতে ধরা পড়া সেই ছবি ভাইরাল হতে অস্বস্তিতে জেলা বিজেপি। সেই ঘটনার রেস কাটতে না কাটতেই রবিবার সন্ধ্যায় পুনরায় এবার বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস মিশ্রকে ঘিরে দীর্ঘ বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের। গড়বেতার শ্যামসংঘ এলাকায় এই বিক্ষোভ চলে রবিবার সন্ধ্যা সাতটার পর। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যে পুলিশ গিয়ে বিজেপি জেলা সভাপতিকে উদ্ধার করে। বিজেপি কর্মীদের দাবি ছিল ঠাকুরদাস মিদ্দাকে বরখাস্ত করতে হবে। উল্লেখ্য এই ঠাকুরদাস মিদ্দা বিজেপি জেলা সভাপতি তাপস মিশ্রের গোষ্ঠীর অনুগামী। তাই তাপস মিশ্রকে ঘিরেই এই বিক্ষোভ চলে।
তবে ঘটনার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করে যায় বিজেপি জেলা সভাপতি তাপস মিশ্র। তার দাবি "কোথাও কোন বিক্ষোভ হয়নি। কর্মীরা দাবি জানাতে এসেছিলেন মাত্র।"
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটের অজিত মাইতি বলেন-" ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই বিজেপির জেলা সভাপতি কে ফের তার বাড়ির সামনে ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মীদের। উদ্ধার করল পুলিশ। বিজেপি নেতাদের বাঁচতে সেই রাজ্য পুলিশের উপরে নির্ভর করতে হলো। ওদের দিন গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। শেষের শুরু হয়েছে ওদের।"
এই পরিস্থিতির মাঝেই সোমবার সন্ধ্যায় মেদিনীপুর শহরে উপস্থিত হচ্ছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুর শহরে একটি শৃঙ্খলা বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই