Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Popular Posts

Just In :

latest

Fire:দীপাবলীর সন্ধ্যায় মেদিনীপুরে সার্কিট হাউস সংলগ্ন জনবহুল এলাকায় তেল প্যাকিং মিলে ভয়াবহ আগুন, সামাল দিতে নাজেহাল তিন ইঞ্জিন

মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরের ভেতরে থাকা বিধান নগর এলাকায় জনবহুল পাড়ার ভেতরে তেল মিলে আগুন দীপাবলীর সন্ধ্যায়। মিলের ওপর তলায় থাকতেন অনেকেই। রবিবার সন্ধ্যায় লেগে যাওয়া আগুন সামাল দিতে না পেরে ঘর ছেড়ে দৌড়ায়…

 


মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরের ভেতরে থাকা বিধান নগর এলাকায় জনবহুল পাড়ার ভেতরে তেল মিলে আগুন দীপাবলীর সন্ধ্যায়। মিলের ওপর তলায় থাকতেন অনেকেই। রবিবার সন্ধ্যায় লেগে যাওয়া আগুন সামাল দিতে না পেরে ঘর ছেড়ে দৌড়ায় অনেকেই। আতঙ্ক তৈরি হয় পাশাপাশি বাড়িগুলিতে। সামাল দিতে প্রায় আড়াই ঘন্টা সময় লাগলো দমকলের তিনটি ইঞ্জিনকে। স্থানীয়দের অভিযোগ-" জনবহুল এলাকার ভেতরে নিরাপত্তা ছাড়াই তেল মিল চালানো নিয়ে আগেই অভিযোগ করেছিলাম। এই ঘটনা আরো আতঙ্কিত করলো আমাদের।" তবে কি কারণে আগুন লেগেছিল দমকল পরিষ্কার বলতে পারেনি।

মেদিনীপুর শহরের একেবারে কেন্দ্রে সার্কিট হাউস সংলগ্ন বিধান নগর এলাকায় এই আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছিল। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী মন্টু সিনহার হার্ডওয়ার্স ও সর্ষের তেল এর ব্যবসা রয়েছে। দোতলা বাড়ির ওপর তলাতে অনেকেই থাকেন। নিচের তলাতে হার্ডওয়ারসের সামগ্রী সহ তেল পাকিংয়ের গোডাউন। রবিবার সন্ধ্যায় সেই তেল প্যাকিংয়ের গোডাউনে আগুন লেগে যায় কোন ভাবে। আগুনের শিখা ও ধোঁয়া ওপর পর্যন্ত পৌঁছে গেলে কোনভাবে চিৎকার চেঁচামেচি করে উপরে থাকা লোকজন বাইরে বেরোয়। প্রতিবেশীরাই খবর দেয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিনে এসে পরিস্থিতি খারাপ দেখে মোট তিনটি ইঞ্জিন হাজির করে। সন্ধ্যা ছটা থেকে রাত্রি আটটা পর্যন্ত টানা কাজ করতে হয় তাদের। এতে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

দমকলের স্টেশন অফিসার চিন্ময় বক্সী বলেন-" কি কারনে আগুন লেগেছিল তা পরিষ্কার হয়নি। তবে ভেতরে প্রচুর পরিমাণে কার্টুন ,গোডাউনে আরো অন্যান্য কাগজ সামগ্রী, প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকিং সামগ্রী থাকায় তাতে আগুন লেগে ছড়িয়েছিল। অনেকটা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। "

এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল স্থানীয়দের মধ্যে। মিলের পাশের বাড়ির বাসিন্দা মানিক জানা বলেন-" বাইরে থেকে প্রচুর তেলের গাড়ি আসে। এখানে খালি ও ভর্তি হয়। এখানকার এই পদ্ধতি নিয়ে এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের সংশয় হয়েছিল আগেই। প্রতিবাদ করেছিলাম আগেও। তাতেও কোন পরিবর্তন হয়নি পরিস্থিতির।"

তবে এই মিলের মালিক মিন্টু সিনহা হার্ডওয়ার্স প্রসঙ্গে বললেও তেলের গোডাউন করা বিষয়ে প্রশ্ন করতেই অস্বস্তিতে পড়েন । নিজের নাম না বলেই বেরিয়ে যান। তিনি বলেন-" আমার হাড়োয়ারসের বিভিন্ন সামগ্রী ও প্যাকিং এর জিনিসপত্র ছিল। বাচ্চারা পাশাপাশি এলাকায় বাজি নিয়ে খেলছিল। সেই বাজি ছিটকে ভেতরে পড়ে গিয়ে হয়তো এই সমস্যা হয়েছিল। তবে ভেতরে শেষ প্রান্তে তেলের প্যাকিং হয়।"

কোন মন্তব্য নেই