মদ্যপ অবস্থায় ছেলে বাড়ি ফেরার পর তাঁর সঙ্গে বিতন্ডা বেঁধে যায় মা'র। এরপরেই মা'কে বেধড়ক মারধর করতে থাকে গুণধর ছোট ছেলে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বাড়ির বড় বৌ স্থির থাকতে পারেননি। প্রতিবাদ করতে গেলে দেওরের সঙ্গে তাঁরও ঝামেলা বেঁধে …

মদ্যপ অবস্থায় ছেলে বাড়ি ফেরার পর তাঁর সঙ্গে বিতন্ডা বেঁধে যায় মা'র। এরপরেই
মা'কে বেধড়ক মারধর করতে থাকে গুণধর ছোট ছেলে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বাড়ির বড় বৌ স্থির
থাকতে পারেননি। প্রতিবাদ করতে গেলে দেওরের সঙ্গে তাঁরও ঝামেলা বেঁধে যায়।
এরই মাঝে আচমকাই মা ও বৌদিকে লক্ষ করে তীর ছুঁড়ে দেয় ছেলেটি। মায়ের পিঠে
ও বৌদির পেটে গেঁথে যায় তীর। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত মা ও বৌদিকে হাসপাতালে চিকিৎসার
জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি
থানার মেমুল গ্রামে। অভিযুক্ত রাম মুর্মূ'কে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে রাম মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে
ফিরে মা লক্ষ্মী মুর্মুকে মারধর করে। তারই প্রতিবাদ করতে যায় বৌদি বাসন্তী। এরপরেই
রাম বাড়ির ভেতর ছুটে গিয়ে তীর ধনুক এনে মা ও বৌদিকে লক্ষ করে হামলা চালায়। এরপরেই আহত
শ্বাশুড়ি ও বৌমাকে নিয়ে প্রথমে শালবনি হাসপাতাল এবং পরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে গেলে সেখানেই অপারেশান করে তীরগুলি বের করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাম কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। প্রায়ই বাড়িতে
ফিরে ঝামেলা পাকায়। এদিনও সেভাবেই ঝামেলা চলা কালীন তীর ধনুক নিয়ে হামলা চালিয়ে দেয়
সে। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে রাম'কে আটক করেছে পুলিশ।
কোন মন্তব্য নেই